শেষ সময়ে সিটি প্রশাসক হবার দৌড়ে আলোচনার তুঙ্গে যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম
- আপডেট সময় ১১:২৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
- / ৭০ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার,
গত ৭ মে নিকারের সভায় নবগঠিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে প্রায় ১৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বগুড়া পৌরসভা আনুষ্ঠানিকভাবে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে সীমানা নির্ধারণ শেষে পূর্ণাঙ্গ গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন বগুড়াবাসী।
এদিকে সিটি কর্পোরেশনের সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এলেও সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। ক্লিন ইমেজ, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে জানা গেছে।
এই বিষয়ে বগুড়ার সাতমাথার পান ব্যবসায়ী শাহাবুল বলেন, “আমরা দীর্ঘ সময় ধরে জাহাঙ্গীর আলমকে চিনি। তিনি একজন ভালো মানুষ এবং বহু মামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন।”
দুপচাঁচিয়া থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান পলাশ বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম সব সময় সকল থানার নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন।”
বগুড়া শহর যুবদলের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক আহসান হাবিব মামুন বলেন, “সকল ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর জাহাঙ্গীর আলম নেন। গত ঈদুল ফিতরে তিনি ১২০০ নেতাকর্মীর মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেছেন, যার মাধ্যমে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।”
রাজনৈতিক জীবনে জাহাঙ্গীর আলম বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সভাপতি, বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বর্তমানে জেলা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি “বগুড়ার যুবরাজ” হিসেবেও পরিচিত।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের সময়ে দীর্ঘদিন তার জামিনে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ফলে ত্যাগী নেতা হিসেবে নেতাকর্মীদের মাঝে তার একটি বিশেষ অবস্থান তৈরি হয়েছে।











