বগুড়া সদরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষক কৃষাণী ও উদ্দ্যেক্তা প্রশিক্ষণ
- আপডেট সময় ০২:২৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
- / ২০ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার,
বগুড়া সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এর আওতায় কৃষক GAP সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক কৃষাণী ও উদ্দ্যেক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসাবে সেশন পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) কৃষিবিদ এখলাস হোসেন সরকার। প্রশিক্ষণে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার ইসমত জাহান , কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোছা: আকলিমা খাতুন।
এখলাস হোসেন সরকার তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের খোরপোষ কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরের উদ্দেশ্যে পার্টনার প্রোগ্রাম ২০২৩ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে। উত্তম কৃষি চর্চা (GAP) হলো সামগ্রিক কৃষি কার্যক্রম যা অনুসরণে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত কৃষিজাত পণ্য সহজলভ্য, পরিবেশ, অর্থনীতি এবং সামাজিক সুরক্ষা সুসংহত করা। উত্তম কৃষি চর্চার মানদন্ড হিসেবে নিরাপদ খাদ্য মডিউল, পণ্যমান মডিউল, পরিবেশ ব্যবস্হাপনা মডিউল, কর্মীর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও কল্যাণ মডিউল বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে একাধিক মডিউলের আওতায় বিভিন্ন উপাদান ও অনুশীলন বিস্তৃত করা হয়।
তিনি আরো বলেন, উত্তম কৃষি চর্চার মূল দিকগুলো হলো: মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ, মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জমিতে কাজ করার সময় কর্মীর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। উৎপাদনের প্রতিটি ধাপের সঠিক নথিপত্র বা রেকর্ড সংরক্ষণ করা, যাতে প্রয়োজনে পণ্যের উৎস শনাক্ত করা যায়। বালাই দমনে বালাইনাশকের পরিবর্তে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (IPM) বা জৈব পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।











