০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩২ বার পড়া হয়েছে

সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু

‎স্টাফ রিপোর্টার,

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আইনি দক্ষতা ও সংগঠনিক সক্ষমতার কারণে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি প্রত্যাশা লক্ষ করা যাচ্ছে।

‎শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু বর্তমানে বগুড়া জজকোর্টে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পি.পি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।

‎রাজনৈতিক দর্শনের বিষয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রাজনীতি করে আসছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় তিনি দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপির স্বাস্থ্য ও পরিবার বিষয়ক সম্পাদকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ছাত্রজীবনেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

‎তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল আন্দোলন, মার্চ ফর ডেমোক্রেসি, নির্বাচন বর্জন আন্দোলন, ১০ দফা দাবি আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক মামলায় দলীয় নেতাকর্মীদের বিনা পারিশ্রমিকে আইনি সহায়তা প্রদান করেছেন।

‎পারিবারিকভাবেও তিনি একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার পিতা মরহুম অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি। শ্বশুর মরহুম অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান ছিলেন সাবেক এমএনএ ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিষয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত হলো—দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নারী ও শিশুদের অধিকার নিয়ে তার কাজ তাকে একটি গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তারা মনে করেন, তার মনোনয়ন পেলে সংসদে নারী ও শিশু অধিকার, আইনি সংস্কার এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু

আপডেট সময় ০৭:১৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু

‎স্টাফ রিপোর্টার,

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আইনি দক্ষতা ও সংগঠনিক সক্ষমতার কারণে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি প্রত্যাশা লক্ষ করা যাচ্ছে।

‎শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু বর্তমানে বগুড়া জজকোর্টে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পি.পি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।

‎রাজনৈতিক দর্শনের বিষয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রাজনীতি করে আসছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় তিনি দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপির স্বাস্থ্য ও পরিবার বিষয়ক সম্পাদকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ছাত্রজীবনেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

‎তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল আন্দোলন, মার্চ ফর ডেমোক্রেসি, নির্বাচন বর্জন আন্দোলন, ১০ দফা দাবি আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক মামলায় দলীয় নেতাকর্মীদের বিনা পারিশ্রমিকে আইনি সহায়তা প্রদান করেছেন।

‎পারিবারিকভাবেও তিনি একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার পিতা মরহুম অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি। শ্বশুর মরহুম অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান ছিলেন সাবেক এমএনএ ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিষয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত হলো—দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নারী ও শিশুদের অধিকার নিয়ে তার কাজ তাকে একটি গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তারা মনে করেন, তার মনোনয়ন পেলে সংসদে নারী ও শিশু অধিকার, আইনি সংস্কার এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।