০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎সংরক্ষিত মহিলা আসনে তৃণমূলের আস্থা ও প্রত্যাশার নাম—এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,

সংরক্ষিত মহিলা আসনে তৃণমূলের আস্থা ও প্রত্যাশার নাম—এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী

আসন্ন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনকে কেন্দ্র করে বগুড়া জেলাজুড়ে রাজনীতিতে বইছে আলোচনা ও আগ্রহের ঝড়। এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এ্যাডভোকেট মোছা: রহিমা খাতুন মেরী—যিনি তৃণমূল থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন শক্তিশালী, গ্রহণযোগ্য ও সময়োপযোগী প্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

‎বর্তমানে তিনি একযোগে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বগুড়া জেলা আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক (পূর্ণাঙ্গ কমিটি) এবং বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক (পূর্ণাঙ্গ কমিটি) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

‎ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত রহিমা খাতুন মেরীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ১৯৯১ সালে সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
‎পরবর্তীতে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালে তিনি শাজাহানপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, শাজাহানপুর উপজেলা কৃষকদলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং জাসাস (জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা)-এর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে তিনি শাজাহানপুর উপজেলা যুবদলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হন।

‎২০১২ সালে বগুড়া জেলা জিয়া পরিষদের সদস্য হিসেবে যুক্ত হন তিনি। পরে ২০১৯ সালে বগুড়া জেলা আইনজীবী ফোরামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০২১ সালে একই ফোরামের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।

‎গত ১৬ বছরের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হলেও কখনো আপস করেননি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী ও অগ্রণী ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করে। এমনকি জেলা বিএনপির নির্দেশনায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করার সাহসী পদক্ষেপও নেন—যা সে সময় অনেকের কাছেই ছিল অকল্পনীয়।

‎শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-এর আপসহীন নেতৃত্বে বিশ্বাসী এই ত্যাগী নেত্রী একই সঙ্গে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

‎পারিবারিকভাবেও তিনি দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা। তাঁর পিতা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর সান্নিধ্যে রানার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন—যা রহিমা খাতুন মেরীর রাজনৈতিক ও মানবিক চেতনায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।

‎তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিমত স্পষ্ট—মাঠপর্যায়ের রাজনীতি, দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, সাহসী অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী আজ আস্থা, যোগ্যতা ও জনসমর্থনের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
‎রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক থেকে জাতীয় রাজনীতির সম্ভাবনাময় মুখ—তৃণমূলের জোরালো কণ্ঠে একটাই নাম, এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‎সংরক্ষিত মহিলা আসনে তৃণমূলের আস্থা ও প্রত্যাশার নাম—এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী

আপডেট সময় ০৪:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার,

সংরক্ষিত মহিলা আসনে তৃণমূলের আস্থা ও প্রত্যাশার নাম—এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী

আসন্ন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনকে কেন্দ্র করে বগুড়া জেলাজুড়ে রাজনীতিতে বইছে আলোচনা ও আগ্রহের ঝড়। এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এ্যাডভোকেট মোছা: রহিমা খাতুন মেরী—যিনি তৃণমূল থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন শক্তিশালী, গ্রহণযোগ্য ও সময়োপযোগী প্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

‎বর্তমানে তিনি একযোগে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বগুড়া জেলা আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক (পূর্ণাঙ্গ কমিটি) এবং বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক (পূর্ণাঙ্গ কমিটি) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

‎ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত রহিমা খাতুন মেরীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ১৯৯১ সালে সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
‎পরবর্তীতে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালে তিনি শাজাহানপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, শাজাহানপুর উপজেলা কৃষকদলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং জাসাস (জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা)-এর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে তিনি শাজাহানপুর উপজেলা যুবদলের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হন।

‎২০১২ সালে বগুড়া জেলা জিয়া পরিষদের সদস্য হিসেবে যুক্ত হন তিনি। পরে ২০১৯ সালে বগুড়া জেলা আইনজীবী ফোরামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০২১ সালে একই ফোরামের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।

‎গত ১৬ বছরের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হলেও কখনো আপস করেননি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী ও অগ্রণী ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করে। এমনকি জেলা বিএনপির নির্দেশনায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করার সাহসী পদক্ষেপও নেন—যা সে সময় অনেকের কাছেই ছিল অকল্পনীয়।

‎শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-এর আপসহীন নেতৃত্বে বিশ্বাসী এই ত্যাগী নেত্রী একই সঙ্গে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

‎পারিবারিকভাবেও তিনি দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা। তাঁর পিতা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর সান্নিধ্যে রানার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন—যা রহিমা খাতুন মেরীর রাজনৈতিক ও মানবিক চেতনায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।

‎তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিমত স্পষ্ট—মাঠপর্যায়ের রাজনীতি, দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, সাহসী অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী আজ আস্থা, যোগ্যতা ও জনসমর্থনের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
‎রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক থেকে জাতীয় রাজনীতির সম্ভাবনাময় মুখ—তৃণমূলের জোরালো কণ্ঠে একটাই নাম, এ্যাডভোকেট রহিমা খাতুন মেরী।