বগুড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি
- আপডেট সময় ০২:৪২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / ৪২ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কিছু ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা ও জনআস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
বগুড়া প্রেসক্লাব-এর সভাপতি রেজাউল হাসান রানু ও সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া-এর সভাপতি গনেশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সম্প্রতি প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে— কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ভিত্তি করে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করছেন এবং নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে প্রকৃত সাংবাদিকদের মান-সম্মান অক্ষুণ্ন রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং গণমাধ্যমের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে।
সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল, নীতিনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমূলক পেশা। এ পেশায় সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, যথাযথ নিবন্ধন এবং কার্যকর জবাবদিহিতার আওতায় আনা সময়ের দাবি।
তারা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে প্রকৃত সাংবাদিক ও ভুয়া পরিচয়ধারীদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা।
বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়, “এরা সাংবাদিক নয়; এরা পেশার নামে প্রতারক এবং প্রকৃত চাঁদাবাজ।” তাদের কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমের ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করছে এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
সাংবাদিক নেতারা অবিলম্বে এসব ভুয়া ও কথিত সাংবাদিকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম বরদাশত করা হবে না বলেও যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।











